শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৭:১৯ অপরাহ্ন

Notice :
সারা বাংলাদেশ ব্যাপী বিভিন্ন জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে..........চট্টগ্রাম অফিস: সৈয়দ নূর বিল্ডিং , এম এ আজিজ রোড, সিমেন্ট ক্রসিং, দক্ষিণ হালিশহর, চট্টগ্রাম।মোবাইল নাম্বারঃ ০১৯১১৫৩৩৩০৮, ০১৭১১৪৬৭৫৩৭, E-mail: gsmripon@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
পদুয়া এসিএম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুণর্মিলনী ক্লু-লেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন আসামি গ্রেফতার লোহাগাড়া আলোকিত বাংলাদেশ এর উদ্যেগে ইফতার মাহফিল ও মতবিনিময় সভা৷ অনৈতিক কর্মকান্ড হতে ফিরে আসার আহ্বান জননেতা শাহজাহান চৌধুরী কেন্দ্র ঘোষিত চুনতি ইউনিয়ন’র উদ্যেগে বিএনপি’র দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত। সাতকানিয়ায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বাজার মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট। লোহাগাড়ায় কর্মরত সাংবাদিকদের সম্মিলিত ইফতার সম্পন্ন লোহাগাড়ায় ঘাতকের হাতে পল্লী ডাক্তার খুন। কলাউজান ইউনিয়নে’র উদ্যেগে বিএনপি’র ইফতার মাহফিল ও কোরআন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে মৃত্যু

পুলিশের সোর্স পরিচয়ে ছোট মিনহাজের দৌরাত্ম্য চরমে

পুলিশের সোর্স পরিচয়ে ছোট মিনহাজের দৌরাত্ম্য চরমে

 বাকুলিয়া প্রতিনিধি ঃঃ – চট্টগ্রাম 

বিভিন্ন সময় পুলিশের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি,ইভটিজিং,হয়রানিসহ নানা অপকর্মের ঘটনা ঘটেছে।এর বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই নেতৃত্বে থাকে সোর্স আর পেছনে পুলিশ। সাধারণত অপরাধী সনাক্ত ও তদন্ত সংশ্লিষ্ট কাজেই সোর্সের সহযোগিতা নিয়ে থাকে পুলিশ।তবে বেশ কিছু ঘটনায় পেশাগত কাজের বাইরে সোর্সদের সহযোগিতায় ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের ঘটনায় ফেঁসে যায় পুলিশ সদস্যরা।সম্প্রতি পুলিশ-সোর্সের সম্পর্ক বেশ দূরত্ব। সোর্সরাও গা ঢাকা দিয়েছেন।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে,নতুন ব্রীজ মোড়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে পুলিশের সোর্স পরিচয়ে মিনহাজ প্রকাশ (ছোট মিনহাজ)।পুলিশের সোর্স পরিচয়ে দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছে মিনহাজ।তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ নতুন ব্রিজ ও বাস্তহারাসহ আশেপাশে লোকজন।মিনহাজ(প্রকাশ ছোট মিনহাজ) সিএমপির বাকলিয়া থানা, চাক্তাই পুলিশ ফাঁডির একাধিক পুলিশের সোর্স হিসেবে পরিচিত।মিনহাজ নিজেকে পুলিশের একান্ত কাছের লোক পরিচয় দিয়ে এলাকায় বসায় জুয়ার আসর।

এই সোর্স আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নাম ভাঙিয়ে নিয়মিত চাঁদাবাজিসহ জুয়ার আসর বসায়।পুলিশের এই কথিত সোর্সের দৃশ্যমান কোন ব্যবসা না থাকলেও চলাফেরা করে রাজ পুত্ররের মত। তার রয়েছে একটি সাদা কালারের এপারসি (মোটরসাইকেল) যার নং:১৩,১৩৪৮।কথিত এই সোর্সের রয়েছে একাধিক কিশোর গাং তাদের দিয়ে মোবাইল ছিনতাই সহ নানা অপকর্ম করে থাকে বলে জানা যায়।পুলিশের এই কথিত সোর্সের পকেটে থাকে হেন্ডক্যাপও যা অপরাধ যোগ্য কিন্ত এই হেন্ডক্যাপ কোথায় পাই তা প্রশ্র ? মিনহাজ পুলিশের এই কথিত সোর্স নিরীহ লোকজনকে ফাঁসিয়ে অর্থ আদায় সহ চাঁদাবাজি, ইভটিজিং,হয়রানি ও নানা অপকর্ম করে আসছে এলাকায়। তার অপকর্মের কিছু ডকুমেন্টস রয়েছে আমাদের কাছে।

এসব অপকর্মের নেপথ্যে বাকলিয়া থানার একাধিক পুলিশ সদস্য।মামলার ভয় দেখিয়ে,কিংবা থানা থেকে আসামীকে মামলা থেকে বাদ দেওয়ার তদবির করে এই সোর্স মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়।অথচ পুলিশের সোর্স রাখার কোনও বিধান আইনের কোথাও নেই। ফৌজদারি কার্যবিধি কিংবা পুলিশের পিআরবি’র (পুলিশ রেগুলেশন অব বাংলাদেশ) কোথাও পুলিশের সোর্স রাখা বা পালনের বিষয়টিও উল্লেখ করা নেই।

পুলিশ সূত্রে জানায়, আসামি ধরা ও অপরাধীদের স্পট খুঁজতে ব্যক্তিগতভাবে সোর্সের সহযোগিতা নিতে পারে।তবে থানায় সোর্সের আনাগোনাও রাখা যাবে না এমনটাই নির্দেশনা ছিল পুলিশ সদর দফতর থেকে।পুলিশ মহাপরিদর্শক দায়িত্ব নেয়ার পরেই বলেছিলেন যে থানার সামনে সোর্সের আনাগোনা দেখা যাবে সেই থানা ওসির বিরুদ্ধে নেয়া হবে ব্যবস্থা।তবে সে কথার হাল আমলে ব্যত্যয় ঘটেছে।
এ বিষয়ে বাকুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আফতাব হোসেন বলেন,
প্রতিনিয়ত আমাদের অভিযান পরিচালনা চলছে। এ বিষয়ে আমাদের কাছে এখনো পর্যন্ত কোন তথ্য বা অভিযোগ আসেনি। যেহেতু আপনি বলেছেন এ বিষয়টা আমরা গভীরভাবে দেখব। আরও বলেন, পুলিশের সোর্স পরিচয়ে কেউ যদি চাঁদাবাজি করে,বিষয়টি কারো দৃষ্টিগোচর হলে তাৎক্ষণিক পুলিশের কাছে অভিযোগ করবেন। পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। আমাদের অবস্থান জিরো টলারেন্স, কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2023 Channel69tv.net.bd
Design & Development BY ServerNeed.com